শনিবার, ১৯-আগস্ট ২০১৭, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • অর্থনীতি
  • »
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে এমডি নিয়োগে ৯ নাম চূড়ান্ত

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে এমডি নিয়োগে ৯ নাম চূড়ান্ত

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট, ২০১৭ ০৯:২৮ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদের জন্য নয়জনের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্য হতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি পদে নিয়োগ দেয়া হবে।

অন্যদিকে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পূর্বের তালিকায় থাকা দুই জনের নাম এবার বাদ দেয়া হয়েছে।
 
রোববার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এমডি পদে পদোন্নতি চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে যে নয়জনের নামের তালিকা করা হয়েছে তারা হলেন- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মুঈন উদ্দিন, অগ্রণী ব্যাংকের মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মশিউর আলী ও আলী হোসেন প্রধানিয়া, সোনালী ব্যাংকের আমিন উদ্দিন আহমেদ ও তরিকুল ইসলাম চৌধুরী, কৃষি ব্যাংকের মাহতাব জামিন এবং জনতা ব্যাংকের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে আগামী দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজল কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ইউনুসুর রহমানসহ সংশি­ষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
বৈঠক সূত্র জানায়, রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে যারা উপ-ব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের মধ্য থেকে পদোন্নতি দিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) শূন্য পদ পূরণের জন্য ১১ জনের একটি তালিকা করা হয়েছিল। এদের মধ্যে থেকে নয়জনের তালিকা বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৈঠকে দুজনের নাম সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
 
যে দুজনের নাম বাদ দেয়া হয়েছে তারা হলেন, অগ্রণী ব্যাংকের ডিএমডি মিজানুর রহমান খান। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় জেলে ছিলেন। সেই কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অন্যজন আব্দুছ ছালাম আজাদ জনতা ব্যাংকের ডিএমডি। তিনি বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারির মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। তবে এ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তার নাম বাদ দেয়া হয়।
 
অর্থমন্ত্রণালয় বলছে, দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কারো নামে কোনো অভিযোগ উঠলে তিনি যেকোনো ধরনের পদোন্নতির জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তিনি আবার পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। যে দু'জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তারাও যদি নির্দোষ প্রমাণিত হন, তাহলে তারাও পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
 
শীর্ষনিউজ/এইচএস