শনিবার, ১৯-আগস্ট ২০১৭, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

রাজনীতিতে থার্ড ফোর্স নিয়ে কৌতুহল

প্রকাশ : ২১ জুলাই, ২০১৭ ০৪:৩৮ অপরাহ্ন

শীর্ষ কাগজের সৌজন্যে: বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুটি ধারা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব নিয়ে আলোচনা এবং চেষ্টা কম হয়নি। কিন্তু, প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি স্বৈরশাসক এরশাদ টানা নয় বছর ক্ষমতায় থেকে যে দলটি গঠন ও লালন-পালন করেছিলেন এটি নিয়েও কৌতুহল ছিল। অবশেষে দেখা গেলো, এই জাতীয় পার্টিও রাজনীতিতে প্রত্যাশিত স্থান দখল করতে পারেনি। এরশাদ পতনের পরবর্তী সময়ে এ দলটি বৃহত্তর রংপুরের আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়। এখন সেখানেও স্থান নেই। বলা যায়, অনেকটা অস্তিত্ব সংকটেই ভূগছে। দেশের জনগণ দুই জোটে বিভক্ত দীর্ঘদিন ধরেই। এক সময় ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন হিসেবে কমিউনিস্ট পার্টির একটা কদর ছিল। এখন অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে। জামায়াতও বেশ শক্তিশালী দল হিসেবে উত্থান ঘটছিল। এখন যদিও কোনঠাসা। ইতিপূর্বে ওয়ান ইলেভেনের সময় বিএনপি-আওয়ামী লীগ ভেঙে তৎকালীন সরকারের ছত্রছায়ায় তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠার প্রাণান্ত চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগ চরমভাবে ব্যর্থ হয়ে যায়। সর্বশেষ এরশাদ তৃতীয় জোট গঠনের কথা বলে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। বাস্তবে তার সঙ্গে কেউই যেতে রাজি নয়।
গত ১৩ জুলাই রাতে জাসদ নেতা আসম রবের বাসায় দুই জোটের বাইরের কিছু উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক নেতার বৈঠক হয়। যদিও সরকারি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জেরা ও হয়রানির মুখে তাৎক্ষণিকভাবে বলা হয়েছে, এটি ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। বাস্তবে এটি রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়ারই একটি অংশ- এটা সবাই বুঝে গেছেন। বৈঠকের আয়োজকরাও এটা স্বীকার করেছেন।
অন্য সময় হলে এই বৈঠককে কেউ তেমন একটা গুরুত্ব দিত না। দেশে রাজনৈতিক সংকট যখন ঘনীভূত ঠিক সেই সময় হঠাৎ করে কোন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এমন একটা বৈঠক এবং জোট গঠনের উদ্যোগ সরকারকে চরম টেনশনের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তবে সরকারের অতি মাত্রায় তৎপরতা ও টেনশন এই বৈঠকটির গুরুত্বকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের আইন-শ্খৃলা বাহিনী বৈঠকটি ভ-ুল করার চেষ্টা চালিয়েছিল। তাতে সফল হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে ওবায়দুল কাদের একাধিকবার দলের নেতাদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তৃতায় এই আশংকা ব্যক্ত করেছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। যে কোন সময় বড় যে কোন ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এটাও ঘটনার আগাম কোন আলামত কিনা, সরকারের অনেকে এমন চিন্তা করছেন। এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আরেকটি ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্র চলছে। সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আবার অন্য এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে।
বৈঠকে যারা ছিলেন
আসম রব ছাড়াও গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী, গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান ভূইয়া, পিপলস ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরো যারা ছিলেন এদের মধ্যে রয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মেজর (অব) মান্নান ও মাহি বি চৌধুরী, গণফোরামের অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিদি, আ ও ম সফিউল্লাহ, নাগরিক ঐক্যের শহিদুল্লাহ কায়সার, জেএসডির তানিয়া রব প্রমুখ।
ভণ্ডুল করা যায়নি
আসম রব গণমাধ্যমের কাছে প্রথমে এটিকে নিছক ঈদ উত্তর সৌজন্য সাক্ষাতের অনুষ্ঠান বলে বর্ণনা করেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি স্বীকার করেন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির জোট গড়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।
পুলিশ যেভাবে তাঁর বাসায় এই সভা ভন্ডুল করে দেয়ার চেষ্টা চালায়, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
তবে পুলিশের চেষ্টা সফল হয়নি। বৈঠকে তৃতীয় জোট গঠনের প্রাথমিক আলোচনা তারা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন।
আসম রব তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমরা আসলে কোন দেশে আছি? নিজের বাড়িতে বসেও কথা বলতে পারবো না?”
“রাজনীতি করছি আজকে ৬০ বছর। আমার বাসায় প্রতিদিন দু-চার-দশজন নেতা কর্মী আসেন্, আমি ঈদের পর চা চক্রের ব্যবস্থা করেছি। আমার স্ত্রী বললো, শুধু চা খাওয়াবা? আমি ডিনারের ব্যবস্থা করি।” রব বলেন।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, “আটটার মধ্যে অর্ধেক লোক চলে আসে। তখন আমার অফিস থেকে একজন এসে বললো, পুলিশ আমার সঙ্গে কথা বলতে চায়। আমাকে পুলিশ অফিসার বললো, আমাদের কাছে ইনফরমেশন আছে, আপনার বাসায় মিটিং হচ্ছে। আপনি মিটিং করতে পারবেন না। আমি বললাম মিটিং শব্দের অর্থ কী। আমি আমার বাসায় সৌজন্যমূলক সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে পারবো না? ইনফরমাল কোন বৈঠক আমি করতে পারবো না? পুলিশ বললো তার জন্য পারমিশন লাগবে।”
তিনি জানান, “একটি পর্যায়ে পুলিশ, এসবি, এনএসআই, ডিজিএফআই মিলে তার বাসার সামনে একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।”
এই বৈঠকে তারা কি একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছিলেন? এ প্রশ্নের উত্তরে আসম রব বলেন, “এটা তো গত দু’বছর থেকে চেষ্টা করছি। আমরা দুই জোটের বাইরে আরেকটা তৃতীয় রাজনৈতিক জোট গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীলদের নিয়ে।”
এ ক্ষেত্রে কতটা অগ্রগতি হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অগ্রগতি অবশ্যই আছে। তবে বলার মতো কিছু নয়। বলার মতো হলে অবশ্যই বিবিসিকে বলবো।”
বাসদের নেতা খালেকুজ্জামানও স্বীকার করেছেন যে, তারা একটি রাজনৈতিক জোট গঠনের জন্য আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
“এখানে দুটি রাজনৈতিক শক্তি। একটা বামপন্থি। একটা উদারপন্থি। বামপন্থিরা এক জায়গায় ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন। উদারপন্থিরা আরেকটা জায়গায়। যার যার অবস্থান থেকে একই কর্মসূচী নিয়ে, একই লক্ষ্য নিয়ে তারা অগ্রসর হবেন। এভাবে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এটি এক সময় নির্বাচনী ঐক্য হিসেবেও দাঁড়াতে পারে।”
খালেকুজ্জামান বলেন, এই জোটে কোন চরম ডানপন্থি, সাম্প্রদায়িক বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কাউকে নেয়া হবে না।
নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাও জানিয়েছেন, একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির জোট করার লক্ষ্যে তাদের আলোচনা কিছুদূর অগ্রসর হয়েছে।
“আমরা যারা বসেছিলাম, আমরা সবাই মনে করি, আসলে বিএনপি-আওয়ামী লীগ, দুটি দলই গণতন্ত্রের সঙ্গে সুবিচার করেনি। কাজেই সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি দাঁড় করানো যায় কীনা, সেই আলোচনাই করেছি আমরা।”
খুব শীঘ্রই না হলেও নিকট ভবিষ্যতে এই আলোচনার একটা ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
টেনশন যে কারণে
যেসব দলের নেতারা এই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন এই দলগুলো ভোটের মাঠে তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ না হলেও জাতীয় রাজনীতিতে এদের প্রত্যেকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এদের মধ্যে ড. কামাল হোসেনের প্রোফাইল অনেক বড়। তবে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত। ’৭৫ পরবর্তীতে ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হালও ধরেছিলেন দীর্ঘদিন। অন্যদিকে বি চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছাড়াও আরো নানা পরিচিতি রয়েছে। জিয়াউর রহমানের সময় উপ-প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এলে তাকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। আসম রব স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলক। স্বাধীনতা উত্তরকালে আওয়ামী লীগের বিকল্প শক্তি হিসেবে জাসদ প্রতিষ্ঠার অন্যতম ব্যক্তি তিনি। এছাড়া আরো নানান পরিচিতি তার রয়েছে। মাহমুদুর রহমান মান্না তুখোড় ছাত্রনেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু’র দুবারের সভাপতি। একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকার জন্য কাদের সিদ্দিকী ‘বঙ্গবীর’ নামে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে ’৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন একমাত্র তিনিই। এছাড়া সুজন  সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্যদেরও যার যার অবস্থানে বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এদের ঐক্যের প্রক্রিয়া দেশের রাজনীতিতে এবং বিদেশি কূটনৈতিক মহলে এক বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকারের তরফ থেকেও বেশ কয়েকটি কারণে একে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এর কারণ- প্রথমতঃ সময়টা এখন অনুকূল নয়। দ্বিতীয়তঃ জাতীয় নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে এখন। তৃতীয়তঃ নির্বাচন কমিশন সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছে। চতুর্থতঃ এদের অবস্থান আওয়ামী বিরোধী। পঞ্চমতঃ বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবিকে এদের সমর্থন করার সম্ভাবনা।
মাহমুদুর রহমান মান্না ইতিমধ্যে গত ১৫ জুলাই এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, আমাদের দাবি হলো সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভালো মানুষ। তাই তিনি আগামী নির্বাচনের একটা রূপরেখা দেবেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বেগম খালেদা জিয়া সম্ভাব্য সহায়ক সরকারের যে রূপরেখা দিবেন তাতে এই নতুন জোটের পূর্ণ সমর্থন থাকবে, মান্নার বক্তব্যেই তা ফুটে উঠেছে। আর তা যদি হয় সেটিকে উপেক্ষা করা আওয়ামী লীগের জন্য বেশ কষ্টকর হবে। কারণ, যখন সবাই মিলে নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের কথা বলতে থাকবে সেই ইস্যুটির প্রতি দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটা জোরালো সমর্থন গড়ে উঠবে। হয়তো দেখা যাবে, বিদেশিরাও ওই দাবির প্রতি সমর্থন দিচ্ছে। এসব বিবেচনা করেই আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা সম্ভাব্য তৃতীয় জোটের তৎপরতায় অত্যন্ত টেনশনে পড়েছেন। এও মনে করা হচ্ছে যে, সম্ভাব্য এই তৃতীয় জোটের প্রতি বিদেশিদের কারো না কারো নেপথ্য সমর্থন ও সহযোগিতা রয়েছে।  
আলোচনার কেন্দ্রে লন্ডন
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর দেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রে। গত ১৫ জুলাই তিনি লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। সেখানে চোখ এবং পায়ের চিকিৎসা করাবেন বলে জানানো হয়েছে। তবে সবাই মনে করছেন, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য রাজনৈতিক। সহায়ক সরকারের রূপরেখাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত হবে। এমনকি বিদেশি কূটনৈতিকদের সঙ্গেও আলোচনা বা বোঝাপড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে একই সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতি ইস্যুতে লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে সরকার এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তিন ব্যক্তিত্ব লন্ডন সফরে গেছেন। এরা হলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপুমনি। ওই সেমিনারে যোগ দিতে বিএনপির পক্ষ থেকে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিনা ফারহানও। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ এ সময় সহায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে লন্ডনে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে পর্দার অন্তরালে আলোচনার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তাতে কিছু একটা অগ্রগতিরও সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আলোচনায় অগ্রগতি থাকলে সেই অনুযায়ী খালেদা জিয়া দেশে এসে রূপরেখার ঘোষণা দেবেন।
(সাপ্তাহিক শীর্ষ কাগজে ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই  প্রকাশিত)