মঙ্গলবার, ১৭-অক্টোবর ২০১৭, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • ন্যায্য দাবি আদায় করতে চোখ হারালো সিদ্দিক, শিক্ষামন্ত্রীর অসহায়ত্ব প্রকাশ
ঢাকার সাত কলেজ সংকটে

ন্যায্য দাবি আদায় করতে চোখ হারালো সিদ্দিক, শিক্ষামন্ত্রীর অসহায়ত্ব প্রকাশ

sheershanews24.com

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট, ২০১৭ ০৮:২৭ অপরাহ্ন

শীর্ষ কাগজের সৌজন্যে: ন্যায্য দাবি আদায় করতে গিয়ে চোখ হারিয়েছেন তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমান। সার্বিক বিষয় নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)’র মধ্যে চলছে পুরোদস্তুর রশিটানাটানি। ২০ জুলাই সকালে রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিদ্দিকও শাহবাগে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। পুলিশের কাঁদানে গ্যাসের শেলের আঘাতে তার দুটি চোখই নষ্ট হয়ে যায়। একটি চোখ এত নষ্ট হয়েছে যে তা আদৌ ভালো হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাকে সরকারিভাবে চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে ভারতে পাঠানো হয়েছে ।
একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশের একজন সদস্য দৌড়ে এসে খুব কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ছেন। তার পরপরই মাটিতে পড়ে যান সিদ্দিকুর। রাস্তার ওই স্থানটি রক্তে লাল হয়ে যায়। পরে পুলিশের কাজে বাধা দেয়া এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করে শাহবাগ থানা পুলিশ। শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানান, ‘পুলিশের কাজে বাধা দেয়া এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে।’
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত হয় ঢাকার সাত সরকারি কলেজ। ঢাকার এই সাত কলেজ সংকট নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলছে পুরোদস্তুর রশিটানাটানি। চলমান এ সংকটের জন্য একে অপরকে দোষারোপ করে চলেছে দুই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়।’  অপরদিকে সাত সরকারি কলেজ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এক প্রতিবাদ লিপিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানায়, ‘‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজ নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনরূপ বক্তব্য বা মন্তব্য না করার নীতি অনুসরণ করে আসছিল। কিন্তু কয়েকদিন ধরে এসব কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাবির নিকট তাদের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষার রুটিন ঘোষণার দাবিতে আন্দোলন এবং তাকে কেন্দ্র করে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও প্রক্টর, পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত করে যেসব বক্তব্য দিচ্ছেন তাকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর না বলে আমরা পারছিনা।’’
ওদিকে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ খোলামেলা বলে ফেলেছেন, ‘অনেক পীড়াপীড়ি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই সাতটি কলেজের দায়িত্ব নিয়েছে। আইনগত কারণে আমরা তাদেরকে কিছু বলতে পারছি না। দেশের অন্যান্য কলেজের মতো এই সাতটি কলেজও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছ থেকে চেয়ে ও পীড়াপীড়ি করে সাতটি কলেজের পরীক্ষার দায়িত্বভার গ্রহণ করে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি আইন দ্বারা পরিচালিত হয় জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আইনগত কারণে তারা সরকারের কাছে দায়বদ্ধ না। আমরাও কোনো কথা বলতে পারছি না। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ ব্যয় বহন করছে সরকার।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে দেশের সব ডিগ্রি কলেজ ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হত। ১৯৯২ সালে সরকারি কলেজগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। ২০১৪ সালের শেষ দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২৭৯টি সরকারি কলেজকে বিভাগীয় পর্যায়ের পুরনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরের বছর ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে এক বৈঠকে সরকারি কলেজকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আনার প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করতে তাগাদা দেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বেসরকারি কলেজগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই থাকবে বলে সে সময় জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজ ছিল ২ হাজার ১৫৪টি, এসব কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০ লাখের বেশি। এখন সেই তালিকা থেকে বাদ পড়ল ঢাকার সরকারি কলেজগুলো। সদ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া রাজধানীর ৭টি কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম নিয়ে হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এসব কলেজে বিভিন্ন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ২ লাখ শিক্ষার্থী। এ জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অসহযোগিতাকে দায়ী করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে চিন্তা বেড়ে যায় ঢাবি কর্তৃপক্ষের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি কলেজগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার ঘোর বিরোধিতা করে আসছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের ক্ষমতা খর্ব হবে এমন শঙ্কা যখন সত্য হলো, অভিযোগ রয়েছে- তখন তারা নানা অজুহাতে হাতছাড়া হওয়া সাত কলেজকে সিলেবাস প্রণয়ন, পরীক্ষা কার্যক্রমের তথ্য না দিয়ে নানাভাবে অসহযোগিতা শুরু করে। এরই প্রথম ধাপে এ সাত কলেজের সব শিক্ষার্থীর যাবতীয় তথ্য ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া চলতি ও আসন্ন পরীক্ষাগুলোর ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনো সহযোগিতা করছে না তারা। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বদিউজ্জামান গ্রেপ্তার হওয়ায় মাস্টার্স চূড়ান্ত বর্ষের সব পরীক্ষা আকস্মিক স্থগিত করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খামখেয়ালিতে সাত কলেজের পরীক্ষা, পরীক্ষার ফলাফল এবং অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষার্থীরা। তথ্যকণিকা থেকে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা এখন কেউ জানে না তাদের পরীক্ষা কবে হবে এবং সেই পরীক্ষার ফলাফলইবা কবে হবে। এ শিক্ষার্থীরা একবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করছেন। ঢাকা কলেজের ছাত্র সোহেল আহসান জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, আমাদের পরীক্ষা হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। কীভাবে পরীক্ষা নেবো? জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোন করলে তারা এ ব্যাপারে কোনো কথা বলবেন না বলে জানান। এছাড়া আমাদের সব তথ্য ওয়েবসাইট থেকে মুছে দেয়া হয়েছে। এখন আমরা কী করব?
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘ঘটনা যাইহোক এটার সমাধান হওয়া এখন খুবই জরুরি।’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর এই কলেজের তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে থাকবে না- এটাই স্বাভাবিক। তবে তাদের তথ্য আমরা দিচ্ছি না- এটা সত্য নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সার্বিক পরিস্থিতি এখন জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে। যত দ্রুত সম্ভব এটার সমাধান না করলে শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে। কারণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো দায় এখানে পাওয়া যায়নি। না হয় শিক্ষার্থীদের ক্ষোভে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার দায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এড়াতে পারবে না।
সাতটি কলেজকে অধিভুক্ত করার পর এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অভিযোগ করে বলেছিলেন, ‘খাতা না দেখেই চূড়ান্ত ফল দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।’ পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই বক্তব্যের সমর্থনে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে বলে। অন্যথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ চলমান এই সংকট সম্পর্কে সাংবাদিকদের বলেন, ‘কলেজগুলো নেয়ার ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আগ্রহ ছিল। এ জন্য আমরা প্রথম সাতটি কলেজ তাদের দিয়েছি। তিনি সব ব্যবস্থা করতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তো আমরা হস্তক্ষেপ করতে পারি না। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন আছি। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’
তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুরের দু‘চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আমি পরস্পরবিরোধী বক্তব্য শুনেছি। পুলিশ আমাকে বলেছে ছাত্রদের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে তার এমন হয়েছে। ছাত্ররা দাবি করেছে টিয়ার শেল তার কপালে লেগেছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হবে। এ নিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। টিয়ার শেলের গ্যাস কখনো সরাসরি নিক্ষেপ করা যায় না। নিচুতেও নিক্ষেপ করা যায় না। তাহলে শেলটা পড়ে যায় এবং বিস্ফোরিত হয় না। এটাকে মিনিমাম ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে মারতে হয়। যাতে বাতাসে এটা বিস্ফোরিত হয়ে গ্যাসটা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং শেলটা আস্তে করে নিচে পড়ে যায়।’
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার এমন কথায় দেশবাসী বিরক্ত। এছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘টিয়ার শেল সাধারণত পুলিশ এভাবে মারে না। ৪৫ ডিগ্রি ওপরের দিকে মারে। এটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। তবু একটা কিছু হয়তো ঘটেছে।’ তদন্তে সব পাওয়া যাবে।
সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ভিডিও ফুটেজ দেখে পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা। জবাবে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে পুলিশের আইজি জানিয়েছেন। তবে অতি উৎসাহে কেউ এ কাজ করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। এই ঘটনার জন্য কেউ দায়ী হিসেবে চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বাংলাদেশের এক কৃষক পরিবারের লড়িয়ে জীবনের অধিকারী সিদ্দিকুর। ভেবেছিলেন তাড়াতাড়ি পড়ালেখা শেষ করে একটি চাকরি নিয়ে পরিবারে হাল ধরবেন, পরিবারকে বাঁচাবেন নিজেও বাঁচবেন। কিন্তু সিদ্দিকুর এখন নিজেই পরিবারের বোঝা হয়ে যাচ্ছেন। সিদ্দিকুরের চোখের বিনিময়ে কী সৃষ্ট সমস্যার সমাধান হবে? যদি হয়, কবে হবে, কিভাবে হবে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন- বাছাই করে এই সাতটি সরকারি কলেজকে তাদের আওতাভুক্ত করতে গেলো- সেটাও আজ অনেকের প্রশ্ন!
(সাপ্তাহিক শীর্ষ কাগজে ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই  প্রকাশিত)