শনিবার, ২৫-নভেম্বর ২০১৭, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

বিদায় দেয়া হলো তোফা-তহুরাকে

sheershanews24.com

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০৩:৩৮ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা: আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতাল থেকে বিদায় দেয়া হলো অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করা শিশু তোফা ও তহুরাকে।

আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সভাকক্ষে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের উপস্থিতিতে তাদের বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়।

বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাননীয় ডিজি আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সচিব (চিকিৎসা) সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন, শিশু সার্জারীর অধ্যাপক ডাক্তার সাহনূর ইসলাম সহ সকল বিভাগীয় প্রধান ও সাংবাদিকরা।

বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিশু সার্জারীর অধ্যাপক ডাক্তার সাহনুর ইসলাম বলেন, জন্মের কিছুদিন পর থেকে এই পর্যন্ত জোড়া শিশু তোফা-তহুরাকে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সকল চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় থেকে শুরু করে সাংবাদিক, দেশবাশী সকলের আন্তরিক চেষ্টায় তাদেরকে সফলভাবে পৃথক করা গেছে।

এই পর্যন্ত তোফা ও তহুরার চিকিৎসায় ৯৫ হাজার ১'শ ৪৩ টাকা খরচ হয়েছে। যা পুরোটাই বহন করেছে সরকার ও হাসপাতাল সমাজ সেবা অধিদপ্তর। তাদেরকে আর্থিক সহযোগীতার জন্য ডাচবাংলা ব্যাংকে তাদের বাবা মায়ের নামে একটি একাউন্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। যে কেউ তাদের সাহায্যের জন্য (ঈমাগঞ্জ শাখা, একাউন্ট নম্বর -১৩৯১৫১৭৩৭৪০) টাকা পাঠানো যাবে বলে জানান ডাক্তার সাহনুর ইসলাম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তোফা তহুরার পুরো চিকিৎসার পেছনে কাজ করা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ডাক্তার সাহনুর অসাধ্য সাধন করেছেন। এখনও তিনি মায়ের মত আনন্দ নিয়ে  মেয়ের কথা বলছেন। তাকে প্রধানমন্ত্রীসহ সবার পক্ষে থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি সহ ঢামেকের সবাই মিলে শিশু দুটিকে সুস্থ জীবন দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এরকম সাফল্য আগেও হয়েছে, যা আমাদের মুখ উজ্জল করেছে। বেড নেই, রোগীর চাপ এর মধ্যেও চিকিৎসকরা আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছেন। যেখানে অন্য দেশ পারছে না, সেখানে এখানের  চিকিৎসকরা করছেন, এজন্য সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।
 
এসময় তোফা ও তহুরার মা সাহিদা বেগম সকল চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমার মেয়েদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
শীর্ষনিউজ/হায়দার/এম