শনিবার, ২০-জানুয়ারী ২০১৮, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • রাজনীতি
  • »
  • ডিএনসিসিকে ক্রীড়াবান্ধব ও শিক্ষাসহায়ক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সেলিম উদ্দিন

ডিএনসিসিকে ক্রীড়াবান্ধব ও শিক্ষাসহায়ক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সেলিম উদ্দিন

sheershanews24.com

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারী, ২০১৮ ০৭:০৮ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ ডটকম, ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর ও ডিএনসিসিতে মেয়র প্রার্থী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। সে ধারাবাহিকতায় তিনি আজ রামপুরা ফ্রেন্ডস ক্লাব আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এবং  প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। নগরবাসী তাকে নির্বাচিত করলে তিনি তার দেয়া সকল প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করার এবং  ডিএনসিসিকে ক্রীড়াবান্ধব ও শিক্ষাসহায়ক নগরীতে পরিণত করার আশ্বাস দেন।
রামপুরায় ফ্রেন্ডস ক্লাবের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের চেয়ারম্যান ডা. ফখরুদ্দীন মানিক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এফ এ ফজলু। উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান এস এইচ ঈমাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান শামীম, যুব বিষয়ক সম্পাদক এ এস ফরহাদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা এস ইসলাম,  আইন সম্পাদক এস  এম মনিরুজ্জামান,  কার্যকরি কমিটির সদস্য  হাফিজুর রহমান, আব্দুল  আাজিজ ভূঁইয়া ও মাওলানা আবুল হাসনাত পাটোয়ারি, ছাত্র প্রতিনিধি আতিকুল ইসলাম, গোলাম মর্তুজা, রাসেল ও হাবীব প্রমূখ।
এরপর তিনি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত। ছাত্র প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহিন উদ্দীন, নাহিদ হাসান. মোহাম্মদ রাসেল ও আবু জাফর প্রমূখ।
পুরস্কার বিতরণী ও মতবিনিময় সভায় মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ, স্বাস্থ্যবান ও সংস্কৃতিমনা জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সুস্থ্য ধারার ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চার কোন বিকল্প নেই। মূলত শরীরচর্চা ও বিনোদন যুব সমাজকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, মানসিক বিকাশ সাধন, শৃঙ্খলাবোধে উদ্বুদ্ধকরণ,  চরিত্র গঠন, পরস্পরের প্রতি সম্প্রীতির মনোভাব, জাতীয়তা ও ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধকরণ ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক বিনিময়কে জোরদার ও শক্তিশালী করে তোলে। তাই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সুস্থ্যধারার আত্মবিনোদন হয়ে উঠেছে মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। বিশেষ করে ডিএনসিসির ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা একেবারে দায়সারা গোছের। নগরীর জনসংখ্যার তুলনায় খেলার মাঠও পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও  প্রয়োজনীয় আয়তনের খেলার মাঠ নেই। নেই ক্রীড়াবিদদের জন্য আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা ও ক্রীড়া সামগ্রীর সহজলভ্যতা। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ক্রীড়া সংগঠক ও ভাল মানের ক্রীড়াবিদও সৃষ্টি হচ্ছে না। তিনি নির্বাচিত হলে ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়াবিদদের জন্য প্রয়োজনীয় খেলার মাঠের ব্যবস্থা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ সম্প্রসারণ, ক্রীড়াবিদদের জন্য পৃষ্ঠপোষকতা ও ক্রীড়া সামগ্রীর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। ক্রীড়া সংগঠকদের পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে ভাল ক্রীড়াবিদ সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন বলেও তিনি যোগ করেন।
শীর্ষনিউজ২৪ডটকম/ওআর